2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

কারবালা ও ইয়াজিদী চক্রান্ত

Price:
৳300    ৳ 300.00

ক্যাটাগরি:   

Charge:
ঢাকা সিটির মধ্যে ডেলিভারি চার্জ 59 টাকা
ঢাকা সিটির বাইরে ডেলিভারি চার্জ 99 টাকা

আল্লাহ তায়ালার জন্য সমস্ত প্রশংসা যিনি জগত সমূহের মালিক। হাজারও দরূদ ও সালাম জানাই নূর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে, যিনি খাতামুন নাবীয়্যিন, সায়্যেদুল মুরসালীন, অসংখ্য ও অগণিত মু'জিযার অধিকারী, যাকে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন শরীফে নূর ও জগতসমূহের রহমত বলে ঘোষনা করেছেন।


কারবালা; শব্দটি শুনলেই মন কেঁদে ওঠে। স্বভাবতই মানুষ যখনই কোন হৃদয়বিদারক ঘটনা দেখে বা অপর কেউ তার কাছে বর্ণনা করে তখন সে মর্মাহত হয়, আফসোস করে। যদিও ঘটনার শিকার ঐ ব্যক্তিটির সাথে তার পারিবারিক কোন সম্পর্ক নাও থাকে। যে স্থানে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দৌহিত্র, আলী ও ফাতেমা (আ.) এর কনিষ্ঠ সন্তান এবং ইমাম হাসান (আ.) এর প্রাণপ্রিয় ভ্রাতা ইমাম হুসাইন (আ.) ৬১ হিজরীতে শহীদ হয়েছিলেন সেস্থানের নাম 'কারবালা'। কারবালা সম্পর্কে আবাল-বৃদ্ধ সবারই কমবেশী জানা আছে। ৬১ হিজরীর ১০ই মুহাররম সেদিন কারবালার উত্তপ্ত মরুপ্রান্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দৌহিত্র স্বপরিবারে ও আসহাবদের সাথে, ক্ষুধার্ত ও পিপাষার্ত অবস্থায় শাহাদাত বরণ করেন।


আজ প্রায় ১৪ শতাব্দি পার হতে চলল, তবুও কারবালার ঘটনার স্মৃতি বিন্দু পরিমাণেও ঝাঁপসা হয়নি। এখনো সেই দৃশ্যপট স্মরণ করা মাত্রই চোখ হতে অশ্রু ঝরে। কেননা সে ঘটনা তো এমন এক ব্যক্তি কেন্দ্রীক, যাকে আল্লাহ্ তায়ালা বেহেশতের যুবকদের সর্দার বানিয়েছেন, আর রাসূলে খোদা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেদায়েতের বাতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বিগত চৌদ্দশত বছরে পৃথিবী চৌদ্দশত বার মুহাররম দেখেছে। প্রত্যেকটি মুহাররম ও আশুরা হযরত হুসাইন (আ.) এর সেই নিদারুণ ঘটনাকে জীবন্ত করে তুলেছে। হযরত হুসাইন (আ.) এর দেহ মুবারক হতে যে পরিমাণ রক্ত কারবালা প্রান্তরে প্রবাহিত হয়েছিল, তাঁর প্রত্যেকটি বিন্দুর বিনিময়ে পৃথিবীতে শোক ও মাতমের একটি প্লাবন প্রবাহিত হয়েছে।যুগে যুগে সকল সত্যাশ্রয়ীর ভূমিকা ছিল অভিন্ন। তাঁরা যে মত ও পথতে সত্যজ্ঞান করেছেন, শত প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও সেই মত ও পথের উপর থেকেছেন অবিচল। নীতির প্রশ্নে যেমন তারা কারোর সঙ্গে আপোষ করতেন না, তেমনি কেবা কারা এবং কত সংখ্যক লোক তাদের সঙ্গে রয়েছে, সেদিকেও তারা ভূক্ষেপ করতেন না। আর এমনিভাবে একদিন দেখা যায়, কোনো সত্য ও ন্যায়ের প্রতিষ্ঠায় যেখানে মুষ্টিমেয় লোক কাজ করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠিত সমাজের শত বাঁধার সম্মুখীন হয়েছিল, পরবর্তী পর্যায়ে সেখানে গোটা সমাজ তাদের আদর্শের পতাকা হাতে দুর্জয় মনোবল নিয়ে এগিয়ে এসেছে। শহীদে কারবালা ইমাম হুসাইনের সংগ্রামী জীবনেও আমরা এ সত্যের অভিব্যক্তি দেখতে পাই। তিনিই সেই প্রথম ত্যাগী পুরুষ যিনি মানুষের জন্যে নির্ধারিত ইসলামের গণতান্ত্রিক অধিকার যা ইয়াজিদ হরণ করে নিয়েছিল, তা পুনঃরুদ্ধারকল্পে এবং মানবজাতির জন্য আল্লাহ প্রদত্ত জীবনবিধানকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে তার প্রাণসত্তা অবিকৃত রাখার উদ্দেশ্যে নির্ভীকভাবে সংগ্রাম করে গেছেন। সত্যের ঝান্ডাকে সমুন্নত রাখার সংগ্রামে শত্রু শক্তির বিপুলসংখ্যাধিকা, হামলার প্রচন্ডতা ও নির্মমতা তাকে এতটুকু নত করতে পারেনি। নিজের এবং প্রাণপ্রিয় সন্তানদের বুকের তাজা রক্ত নিয়ে তিনি বিশ্ববাসীর সামনে আল্লাহর দ্বীনকে টিকিয়ে রাখার প্রশ্নে ত্যাগের পরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শণ করেছেন।

Contact Us:
Inside Dhaka:
2-3 working days
Outside Dhaka:
3-5 working days
Cash on Delivery :
Available
Refund Rules:
Within 7 DaysView Policy
Payment: