2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

আদিকালের কবিরাজী ও হেকিমি চিকিৎসা

Price:
৳600    ৳ 390.00

পেইজ:   791

ওজন:   0.5


ক্যাটাগরি:   

Charge:
ঢাকা সিটির মধ্যে ডেলিভারি চার্জ 59 টাকা
ঢাকা সিটির বাইরে ডেলিভারি চার্জ 99 টাকা

                                        যোয়ান বা যমানী

গুড়ো বলেছিলো কিন্তু সেটা মহাভারতের কথা কিনা জানি না, তবে “যা নেই ভারতে তা নেই ভারতে" অর্থাৎ যা ভারতে নেই অর্থাৎ মাহভারতে নেই তা ভারতে অর্থাৎ ভারতবর্ষে নেই ।

আচ্ছা মহাভারতেই তো আছে যে, যুধিষ্ঠিরের স্বর্গযাত্রার সময় কুকুরকে সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাই কি সত্যি? আচ্ছা, খুড়োই তো আবার বলেছিলো— রাবণ স্বর্গের সিঁড়ি তৈরী করে যেতে পারেননি; কাল করবো কাল করবো করে সব হারালেন; তার আগেই রাম তাকে শেষ করেছিলেন।

এদিকে দেখা যায়, মহাভারতের ৩। ৩১৩। ১১৭ শ্লোকে ধর্মের পুত্রস্বরূপ যুধিষ্ঠিরের মুখ দিয়ে সাক্ষ্য দেওয়ানো হয়েছিলো যে, ধর্মের তত্ত্ব গুহায় প্রবেশ করে আছে।

তাই বোধ হয় প্রাচীন প্রবচন হয়ে আছে—

"ধর্মস্য তত্ত্বং নিহিতং গুহায়াং

অতএব "মহাজনো যেন গতঃ স পন্থাঃ

এখন দেখছি কি স্বৰ্গ আর কি যমের বাড়ী— সবই হাঁটা পথ; সেইজন্যেই বোধ হয় আস্তিক্য মতের ডান্ডা নিয়ে নাস্তিক্য মতবাদকে ভেঙ্গে মুষড়ে দিয়ে ঐতিহাসিকরা বলে থাকেন— কাজাকীস্তানের অঞ্চল বিশেষ যেখানে, সেইখানেও আর্য-বসবাসকারী ভূমি ছিল ভূমি ছিল সেইটাই সে যুগের স্বর্গভূমি। সেইসব অঞ্চলের রাস্তা চিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যেই ট্রেন্‌ড্ কুকুরকে সঙ্গে নেওয়া নয়তো প্রত্ন ঐতিহাসিকরা নাকি বলেন, এরা নাকি নাগা না হয় তিব্বতী ছিলেন, তাহলে ট্রেনড় কুকুর তাদের সঙ্গে থাকা তো স্বাভাবিক। আর স্বর্গ শব্দের অর্থই তো সুখভূমি। (তিব্বতী ভাষায় লাসা মানে স্বর্গ)

থাক ও কথা— এখন মহাভারতকে বগল দাবায় রেখে এগিয়ে যাই।

এখন আমাদের সাংসারিক মহাভারতের কথা বলি— লোকে যে বলে, “যম জামাই 'ভাগ্না, তিন না হয় আপনা।” আচ্ছা ধরলাম যম না হয় সর্বনেশে, তাহলে জামাইও কি যমের দলে? এই প্রশ্ন পন্ডিতের খপ্পরে পড়ে যেই যাওয়া, অমনি বেরিয়ে এলো--

“জামাতা জঠরো জায়া জাতবেদা জলাশয়াঃ ।

পূর্বস্বপি ন পূর্য্যন্তে 'জ' কারাঃ পঞ্চ মুর্তগাঃ "

অর্থাৎ জামাই জঠর, জায়া (পত্নী), জলাশয় ও জাতবেদ (অগ্নি ও ব্রাহ্মণের এই পাঁচটি 'জ'কারাদি স্বরূপের স্বভাবই এমনি যে, যতই দাও পূর্ণ হয় না। কিন্তু এ সব সম্পর্ক তো আমাতেও বর্তেছে। তবুও বলি আপন পর বোধ করবার সমাজ ব্যবস্থাকে অস্বীকার করবে কে?


পরিচিতি

ভারতবর্ষের সর্বত্র অল্প-বিস্তর এই ক্ষুপজাতীয় গাছটির চাষ হয়ে থাকে। গাছ সাধারণতঃ ২/৩ ফুট পর্যন্ত উঁচুতে ওঠে। গাছগুলি দেখতে প্রায় ধনে গাছের মত, সাদা রঙ্গের ফুলগুলি ছত্রাকারে হয়। কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাসে যোয়ানের দানা মাঠে ছড়ানো হয়, পৌষ-মাঘ নাগাদ ফুল ও তৎপরে ফল হয়, বাংলাদেশের জনসাধারণের কাছে এর বেশি বিশেষ পরিচিতির কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।

পাশ্চাত্যমতে এটি সম্ভবতঃ ১৫৪৯ খৃষ্টাব্দ নাগাদ মিশর থেকে ইউরোপে এসেছিল এবং ১৬৯৩ খৃষ্টাব্দে (সম্ভবতঃ) লন্ডনে প্রথম ঔষধার্থে ব্যবহৃত হয়েছিল। এ তথ্যটি পরিবেশিত হয়েছে Economic Products of India (watts) গ্রন্থখানিতে। আশ্চর্যের বিষয় এই যে, এই ভুল তথ্যটি পাশ্চাত্য সংগ্রহকর্তারা কিভাবে পরিবেশন করলেন? এই যোয়ান আয়ুর্বেদে বহুকাল ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেই বেদের যুগ থেকে।

এটিকে বাংলায় যোয়ান, জোয়ান; হিন্দীতে অজোয়ান এবং সংস্কৃতে যমানী বলেঃ এর বোটানিক্যাল নাম Trachyspermum ammi (L.) Sp. ফ্যামিলী Umbelliferae, পূর্বে এটির নাম ছিল Carum copticum (L.) CI.

ব্যবহার্য অংশ : ফল।

লোকায়তিক যোগ

যোয়ান রসবহ প্রধানতঃ উপকার সাধন করে, তথাপি রসবহ স্রোত বা অন্যান্য স্রোতে যে বায়ু-পিত্ত-কফ ধাতুগত হয়ে আছে অর্থাৎ ক্রিয়ার সঞ্চালন, আগ্নেয় শক্তি এবং পুষ্টিকরত্ব, এরই নাম বায়ু পিত্ত কফ তো। পিত্ত হচ্ছে আগ্নেয় শক্তি। যোয়ান কাঁচা অবস্থায় কিন্তু পিত্তবর্ধক, এটা চরক এবং সুশ্রুত উভয়ের মত । এইজন্য যোয়ান ব্যবহার করার পূর্বে একটু ভেজে নিতে হয় । এ ভাজা যেন বেশী ভাজা না হয়, অল্প একটু নেড়ে, যাকে বলে চানকে নিতে হয়, নইলে পিত্তবর্ধক হওয়ার জন্য আমাশয়ে গিয়ে উৎক্লেশ, যাকে বলে বমন ভাব সৃষ্টি করে। আমাশয় হলে ক্লেদক শ্লেষ্মার স্থান। কিন্তু ভাজা যোয়ানে তা করে না; তাই লোকায়তিক যোগগুলিতে সর্বদা ভাজা যোয়ান ব্যবহারের বিধি। সাধারণ মাত্রা ১ গ্রাম থেকে ২ গ্রাম পর্যন্ত হলেও ৫০০ মিলিগ্রাম প্রথমে ব্যবহার করাই


১। অর্শরোগে : যে অর্শে দীর্ঘদিন থেকে রক্ত পড়ছে, সে রক্ত অন্তবলি থেকেই আসুক আর বহিবলি থেকেই আসুক, এক্ষেত্রে ভাজা যোয়ান আধ গ্রাম ও ভাজা কালজীরে আধ গ্রাম মাত্রায় একসঙ্গে মিশিয়ে এবেলা ওবেলা দুবার পানিসহ খেতে হবে (এই দুটিকে পৃথক পৃথক করে নিয়ে মিশিয়ে রেখে দিতে পারা যায়, তা থেকে এক মাত্রার মত নিলেও চলবে)। এর দ্বারা রক্তপড়া বন্ধ হয়ে যাবে অধিকন্তু ঐ অর্শের বলিটা চুপসে যাবে।

১৫

Contact Us:
Inside Dhaka:
2-3 working days
Outside Dhaka:
3-5 working days
Cash on Delivery :
Available
Refund Rules:
Within 7 DaysView Policy
Payment: