আল্লাহ তায়ালার জন্য সমস্ত প্রশংসা যিনি জগত সমূহের মালিক। হাজারও দরূদ ও সালাম জানাই নূর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে, যিনি খাতামুন নাবীয়ি্যন, সায়্যেদুল মুরসালীন, অসংখ্য ও অগণিত মু'জিযার অধিকারী, যাকে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন শরীফে নূর ও জগতসমূহের রহমত বলে ঘোষনা করেছেন।
আল্লাহ তায়ালা কুরআনে কারীমায় এরশাদ করেছেন, 'লি কুল্লিন জাআ'লনা মিনকুম শিরয়াতাও ওয়া মিনহাজ' অর্থাৎ আমি তোমাদেরকে দুটি পথ দিয়েছি একটি শরিয়ত এবং অপরটি খাস পথ। ধর্মের দু'টি দিক রয়েছে। একটি বাহ্যিক দিক তথা শরিয়ত এবং অপরটি অভ্যন্তরীণ দিক বা আধ্যাত্মিক দিক, যাকে তাসাউফ বলে জানি। শরিয়ত আমাদেরকে দিক নির্দেশনা দেয় এবং তাসাউফ আমাদেরকে আল্লাহপ্রেমে লিপ্ত রাখে। শুধু শরিয়ত দিয়ে কোন দিনই আল্লাহ তায়ালাকে লাভ করা যায় না। আল্লাহকে লাভ করতে হলে এলমে তাসাউফের জ্ঞান জরূরী। তাই শরিয়তের জ্ঞান অর্জন যেমন ফরজ, তেমনি তাসাউফের জ্ঞান অর্জন করারও ফরজ। কোনভাবেই তাসাউফকে হেয় করা যাবে না। তাসাউফকে হেয় করা মানেই আল্লাহ তা'য়ালার একটি ফরজকে হেয় করা। আর কোন ফরজকে হেয় করা ঈমানদারের লক্ষণ নয়।
তাসাউফের উৎস সম্পর্কে উক্ত গ্রন্থে আলোকপাত করা হয়েছে। তাসাউফ কি এবং কেন এর প্রয়োজনীয়তা সে বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। তাসাউফের গুণ এবং কিভাবে এ সকল গুণ আয়ত্ব করার যায় তার সঠিক দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
