যে ব্যক্তি যবান বন্দির এবং নিদ্রাবন্দির জন্য তাবীজ লিখার সময় আতারিন তারকার লগ্নে লিখবে। আর অস্ত্রবন্দির জন্য লিখলে মিরীখ তারকার লগ্নে লিখতে হয়। আর শত্রুতা ও বিচ্ছেদ বিষয় তাবীজ লিখলে বাহল তারকার লগ্নে লিখতে হবে। আর মহব্বত ও ভালবাসার জন্য লিখলে চন্দ্রের প্রথম সপ্তাহে কামার তারকার লগ্নে লিখতে হয় আর জীবিকার জন্য যোহরা তারকার লগ্নে লিখতে হয়।
ফজর নামাযের পর মহব্বত ও প্রেমভালবাসা। চাশতের সময় জীবিকার উন্নতি লাভ। যোহরের সময় রোগ আরোগ্যের। যোহর ও আসরের মধ্যবর্তী সময় শত্রুতা। যবানবন্দি বিষয় তাবীজ এশার নামাযের সময় লিখতে হয়।
তাবীজ লেখার শর্ত হল সর্ব প্রকার তাবীজ রিখতে দেহটি পাক পবিত্র হতে হবে এবং অযু থাকতে হবে। তাবীজ লেখার সময় দেহে সুগন্ধী ব্যবহার করতে হবে। তাবীজ লেখার শুরুতে বিসমিল্লাহর সংখ্যা ৭৮৬ লিখতে হবে। আর তাবীজের নকশা লেখা শুরু করার সময় ইয়া হাফেজু, ইয়া রাকীবু, ইয়া অকী পাঠ করে নিজের উপর দম করতে হবে, যাতে তাবীজের প্রতিক্রিয়া না হয় তাৰীজ লেখার সময় কাহারো সাথে কথাবার্তা বলা যাবে না। আর লেখার সময় কোন নাপাক মহিলার ছায়া বা গায়রে মুহরিমের ছায়া পড়তে পারবে না।
মহব্বত ও প্রেম ভালবাসা বিষয় তাবীজ লিখলে চন্দ্র মাসের প্রথম সপ্তাহে লিখতে হবে। প্রথমতঃ হাতে কলম নিয়ে তারপর ডান রানের উপর কাগজ রাখতে হবে। আর মুখে মিষ্টি দ্রব্য রাখতে হবে। আর বাতিতে চিনি মিশ্রিত করে জ্বালাতে হকে বইমিশক জাফরান হবে তাবীজের কালি। আর বাঞ্ছিত লোকটি যেন সম্মুখে বসা এমন ধারণা মনে রাখতে হবে। প্রেমিকার বাড়ির দিকে ফিরে লিখতে হবে। কোন হারাম কাজের জন্য মহব্বতের তাবীজ লিখলে তাতে আদৌ কোন ফায়দা হবে না। বরং কঠোর গুনাহগার হবে।
আর রোগব্যাধি ও যাদু নিরাময়ের তাবীজ হাশিখুশি মনে লিখতে হবে। আর শত্রুতার জন্য লিখলে প্রথমতঃ কাগজ হাতে নিয়ে বাম উরুর উপর রাখবে এবং কোন তিক জিনিস মুখে রাখবে। আর প্রদীপের ভৈলে কিছুটা সিরকা মিলিয়ে লিখতে হবে। আর হিং জ্বালিয়ে খুন করতে হবে। এ প্রকার ভাবজি চন্দ্র মাসের শেষের দিকে লিখলে নদ দ্রুত প্রকাশ পায়। কিন্তু সাবধান কোন বিবাহিতা মহিলা স্বামীর মধ্যে বিচ্ছেদ ও শত্রুতার স্বাी न না। শুনহেগার হবে। আর সবার নিদ্রামশি ও বন্দির তাবীজ লিকলে মুখে মোম লিয়া যারা চেপে ধরবে। কাল বালি দ্বারা লিখবে। ভাবীর লেখা
শেষে বললে আল মাহত্ব পিয়ার।
নকশা আতশী : দুশমন দফে বা হালাক করিবার জন্য এই নকশার আমল অদ্বিতীয়। এই নকশা চল্লিশ দিবস কাগজের টুকরায় প্রতিদিন চৌত্রিশবার লিখিয়া নিয়মিত আগুনে নিক্ষেপ করিলে দুশমন হালাক বা দফে হইয়া যাইবে । নকশার নীচে দুশমনের নাম এবং তাহার পিতার নাম লিখিতে হইবে।
মুশমন পক্ষের জন্য এই নকশার আরেকটি নিয়ম এই যে, ইক্ষু পাতায় অত্র নকশাটি চৌত্রিশবার লিখিয়া আগুনের পুড়িবে। পোড়ার সময় দুশমনের কথা খেয়াল করিবে। আগুন জ্বালাইতে হইবে শুধু এই নকশা পোড়ার উদ্দেশ্যেই নিঃসন্দেহে দুশমন হালকা হইয়া যাইবে ।
একটি কথা মনে রাখিতে হইবে- মানুষ সে দুশমন হউক কি বন্ধু তাহাদের ধ্বংস কামনা বা চেষ্টা করা কোন প্রকারেই ঠিক নহে। দুশমনকে ধ্বংস করিতে চেষ্টা না করিয়া বরং ধৈর্যধারণ করা উচিত। এজন্য পরকালে খোদার নিকট সওয়াব পাইবে।
নকশা পন্দেরাহঃ চার প্রকার উদ্দেশ্য হাসিল
শত্রু ধ্বংস, মহব্বত, সকল কাজে বিজয় ও সফরে নিরাপদ
তাবীজ চারি প্রকার । আতশী, আবী, বাদী, ও খাকী। এই চারি প্রকার তাবীজে চারি প্রকার উদ্দেশ্যে হাসিল হইয়া থাকে। এই নকশাগুলিকেই বলে 'নকশা পান্দেরাহ' ইহার আমেেলর নিয়ম জ্ঞাত হইয়া আমল না করিলে উদ্দেশ্য সফল হয়। না। নিজে প্রতেকটির নিয়ম ও তাবীজের ব্যাখ্যা দেওয়া হইল।
নকশার বর্ণনা
(ক) বিষয়টি উদ্দেশ্য সকলের জন্য নকশা বাণী'র আমল করিতে হয়। গর্ত করে কলা থাকী' ব্যবহার করিতে হয় (গ) প্রীতি ভালবাসা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আমল করিতে হয় না আরী'। এবং (ঘ) সুশান মতের উদ্দেশ্যে করা কী আমল করিলে দখার ফল পাওয়া যায়। নকশা আরশী। ধর্ম ও জীবন মাংকাদী শত্রু দলে ও প্রয়োজন হইলে জীবন
শী তাবিজের আমল করতে হয়। শত্রু বংসের নিয়তে এক নত