2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

দেওয়ান-এ- বেনজীর

Price:
৳500    ৳ 425.00

পেইজ:   260

ওজন:   1.2


ক্যাটাগরি:   

Charge:
ঢাকা সিটির মধ্যে ডেলিভারি চার্জ 59 টাকা
ঢাকা সিটির বাইরে ডেলিভারি চার্জ 99 টাকা


পটভূমিকা

স্রষ্টার ফেত্রাতই হলো মানব ধর্ম, যা ধর্ম তা-ই হলো মানবের মূল ভিত্তি। কাজেই ধর্মের গুরত হলো ধার্মিকের সুরত তথা মানুষ যখন ধর্মকে ধারণ করে তখন ধার্মিকের সুরতেই ধর্মের সুরত এবং ঐ ধার্মিকের আচরণে ধর্ম বিকশিত হয়ে উঠে এবং তাঁর বাকশক্তিতে ধর্মের কালাম প্রকাশ হয় । যারা আল্লাহর রংগে রঞ্জিত তথা সিবগাতাল্লাহয় ভূষিত তথা প্রভু সত্তার বৃত্তিতে সিক্ত তারাই হলো ধার্মিক। ইসলাম মানেই চির যৌবন লাভ করা তথা চির স্বাধীনতা অর্জন করা, বৃদ্ধত্বকে জয় করা । যৌবন কালের ইবাদতই আল্লাহর পছন্দ । আর যারা যুবক তারাই পাবে আল্লাহর দিদার । এই মানুষই হলো আল্লাহর শরিয়ত । শরিয়তকে চিনলে আল্লাহকে চেনা যায়। যারা এ পথে ধাবিত হয়নি তারা আসলে ধর্ম পথে নেই তথা দ্বীন-এ-মুহাম্মদীতে নেই । মূলতঃ ধার্মিক দু'রকমের- একটি জাতিগত ধার্মিক । যেমন, আমরা মুসলমান, আমরা হিন্দু বা আমরা খৃষ্টান ইত্যাদি । এরা আল্লাহর অনুমতি সাপেক্ষে ঈমান আনেনি, বরং এমনি এমনি অনুমান কল্পনায় ঈমানের দাবীদার তথা পিতৃ ধর্মানুসারী। এরা আসলে ঈমানদার নয় । এরা মুসলমান দাবীদার পিতৃধর্মানুযায়ী। সব ধর্মের (লৌকিক ধর্মের) মাঝেই এ ধরণের ধার্মিকদের অবস্থান বারো আনা। তাদের বক্তব্য হলো, আমাদের ধর্ম, তোমাদের ধর্ম ইত্যাদি এবং তাদের মধ্যে বিভেদ-বিদ্বেষে পরিপূর্ণ। কোরানের কালাম রাছুলের জবানে হলো- “আমাদের জন্য আমাদের ধর্ম আর তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম" । এর মানে হায়ওয়ানাতের ধর্মে যারা তাদের ধর্ম তাদের জন্য, আর ইনছানিয়াতের ধর্মে যারা তাদের ধর্ম তাদের জন্য- আর এই ইনছানিয়াতই সার্বজনীন ধর্ম- দ্বীন-এ-মুহাম্মদী। "সর্ব ধর্মাণ পারিত্যাজ্যং মামেকং স্মরণং ব্রজ” গীতার এ কালামের মর্ম এখানেই । অপরটি আল্লাহর অনুমতি সাপেক্ষে ঈমান এনেছে । এরাই দ্বীন-এ-মুহাম্মদীতে তথা ইসলামে দাখেল হয়েছে এবং তারাই হলো ধার্মিক । জাতিগত ধার্মিকগুলো চারি দেয়ালের গভীর অন্ধকারে বাস করছে । এরা ধর্মের আনুষ্ঠানিকতার মূলমর্মে প্রবেশ করতে ব্যর্থ এবং এ ব্যাপারে তাদের চেষ্টা সাধনাও নেই, আছে শুধু আনুষ্ঠানিকতার প্রাধান্যতা। হায়ওয়ানাতের তথা আলমে নাড়ুতের মাঝে অবস্থান করছে বিধায় সুরতে এরা মানুষ কিন্তু সিরাতে হায়ওয়ানাতই থেকে যায় । এরা শুধু ধর্মের আনুষ্ঠানিকতাকেই ধর্ম জানে এবং মানে । এদের ধর্ম নিছক একটি জাতিগত বা সাম্প্রদায়িকতার চারি দেয়ালের ভিতর সীমাবদ্ধ, অর্থ-কালের নয় তথা সার্বজনীন নয়, হতে পারে না । যেহেতু সার্বজনীন নয় কাজেই ইহা শ্রষ্টার বিধান বা ধর্মও নয় । এদের মধ্যে অধিকাংশই অন্ধ বধির এবং খুব ভয়ংকর হয় । ধর্মের নামে ধর্মের ছদ্মাবরণে ফতোয়াবাজি, অন্যায়, অত্যাচার, জোর-জুলুম ইত্যাদি করে মাকে। তাদের মধ্যে আমানু বা মুত্তাকিন বা মুমিন হওয়ার কোনো শিক্ষা নেই, কারণ, তারা আল্লাহর অনুমতি সাপেক্ষে ঈমান আনেনি। তবে তাদের মধ্যেও অনেকে আল্লাহর অনুমতি সাপেক্ষে ঈমান এনে ঈমানের সাধনা করে মুমিন হয়ে যায়, অনুমান কল্পনা হতে বের হয়ে যায় । অপরদিকে যারা কর্মগত ধার্মিক এরা আল্লাহর অনুমতি সাপেক্ষে ঈমানদার তথা আল্লাহর নুন ঈমান এনেছে। তারা ধর্মের আনুষ্ঠানিকতার মূল মর্মে প্রবেশ করতে পেরেছে

নত হতে ইনজানিয়াতে উরুজ করে তথা কাফের হতে ধর্মান্তরিত হয়ে খাঁটি পয় তথা শ্রষ্ঠার ধর্মে দাখিল হ মুमিনে অধিষ্ঠিত হয় তথা অর্থ-কালে তথ্য - ধর্ম নিরপেক্ষ, তাঁর কালাম নিরপেক্ষ এবং মহাপুরুষগণ নিরপেক্ষ।  ीটি মুসলমান বা হিন্দু বা বৌদ্ধ বা খৃষ্টান। আল্লাহ  


তারা কোনো জাতি গোত্রের নয়, হতে পারে না। যদিও মূর্খ নাদানরা এ কথা ान কারণ, তাহলে তাদের মনের বিকৃত পশু চরিত্রের কুফল বিভেদ-বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারবে না। আল্লাহ বা ঈশ্বরের ধর্ম কোনো জাতির জন্য নয়, তেমন ধর্ম শাস্ত্রও কোনো জাতির নয়, সমস্ত মানুষের জন্য। ইহা মানব মুক্তির বিধান তথা মানব ধর্ম তথা দ্বীন-এ-মুহম্মদ এ মুহাম্মদ সর্বব্যাপী এবং সব মানুষের অস্তিত্বের মূল। মুহাম্মদই শেষ নবী এবং রাছুল, তাঁর পরে কোনো নবী নেই। দ্বীন-এ-মুহাম্মদীতে যারা ঈমান এনেছে তারা শান্তিবাদী, সভ্য মানুষ এবং মানব সভ্যতার বিকাশকারী, পরহিতে জীবন উৎসর্গকারী; তাদেরকেই বলা হয় মানুষ, যারা মানুষ তারাই চির তারুন্যের দাবীদার। মানুষ জান্নাতে বা স্বর্গেই বাস করছে। ধর্মানুষ্ঠানের ভিন্নতা লক্ষ্যনীয়, তবে ধর্ম একটিই। অন্ধ বধির বা বোবা যারা তারা এ কথার ভেদ মোটেও বুঝে উঠতে পারেনি। তার মূল কারণ, এরা ধর্ম জ্ঞানশূন্য। কিতাবের আক্ষরিক বিদ্যাকে তথা ইলমূল কালামকেই এরা জ্ঞান বলে জানে এবং মানে- এর বেশী বুঝতে নারাজ। এরা সিরাতে মানুষ নয়, মানবাকৃতিতে এরা গরু, ছাগল, শুকর, বানর, ভুত, পিচাশ ইত্যাদির উপর সোয়ার হয়ে আছে। তা'ছাড়া এরা উলঙ্গ হয়ে অবস্থান করছে। যদিও এরা দেখতে মানুষের মতো। সমাজে তাদের অবস্থান চৌদ্দ আনা। রাছুলুল্লাহ বলছেন- “আমার উম্মতের তিয়াত্তর দলের মধ্যে মাত্র এক দল জান্নাতি হবে"। এ সমস্ত লোক শুধু ধর্মের আনুষ্ঠানিকতার ভিতর সীমাবদ্ধ থাকে এবং ইহাকেই ধর্ম-কর্ম বলে জানে এবং মানে। এরা শুধু কিতাবের আক্ষরিক বিদ্যার (মুতাশাবেহাতের) উপর অবস্থান করছে। কোরানে এদেরকে কিতাব বহনকারী গর্দভ বলে অভিহিত করছে। কোরান-হাদিসের ভাষা রূপক (তাশাবাহা), ইহা নবুয়তী কালাম তথা ওহী কালাম। ওহী কালামকে বুঝতে হলে বেলায়তী ইলেম অর্জন করতে হবে তথা কোরানের মুহকামাত বুঝতে হবে। বেলায়তী ইলেম ছাড়া ওহী কালাম মোটেও বুঝা সম্ভব নয়। মহা জ্ঞানভাণ্ডার কোরানের ওহী কালামের ভেদ অনেক গভীরে । যারা বেলায়তী ইলেম ছাড়া ওহী কালাম কোরান বুঝার দাবী করছে তারা নিজেরাই পথভ্রষ্ট হয়ে শত মতভেদের অন্ধকারে ঘুরপাক খাচ্ছে এবং অন্যকেও পথভ্রষ্ট করছে। এজন্য কোরান বলছে- " এই (কিচ্ছা কোরান) কোরান পড়ে কেহ পথপ্রাপ্ত হয় আবার কেহ পথভ্রষ্ট হয়” । যারা কোরানের মুহকামাত বুঝেনি তারাই পথভ্রষ্ট হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকদের নেতাগুলোই ধর্মের নামে ধর্ম জ্ঞান শিক্ষার নামে সমাজে প্রতারণা করে চলছে আর এজন্যই তাদেরকে বলা হয় দজ্জাল। রাছুলুল্লাহ বলছেন- “আলেমদের ভিতর হতে দজ্জাল বের হবে। তারা ঘরে ঘরে প্রবেশ করবে এবং মানুষের ঈমান নষ্ট করবে”। “সুন্দর পাখির পাখায় কালেমা লেখা, কিন্তু খাচ্ছে বিষ্ঠা- ইহাই আখেরী যমানার আলেমদেরে নির্দশন” । ইহাও রাছুলের ভবিষ্যৎ বানী। তারা ঈমান নষ্ট করবে কোরানের রূপক বা মুতাশাবেহাত কালাম দ্বারা। এ সমস্ত অন্ধগণ কোরানের রূপক বা মুতাশাবেহাতকেই ধর্ম জ্ঞান বুঝিয়ে মানুষকে পথভ্রষ্ট করছে। আর এই জন্যই রাসুলুল্লাহ এই ভবিষ্যৎ বাণী করছেন। যারা দজ্জাল এবং তার অনুসারী তারা এ কথা শুনলে গোয়ার গোবিন্দের প্রেত নৃত্য শুরু করবে- এটাই দজ্জাল এবং তার অনুসারীদের স্বভাব। তথাকথিত আলেম সমাজ এজন্য পথভ্রষ্ট যে, কোরানের রূপককেই ধর্ম জ্ঞান বুঝে, বুঝায় এবং মাদ্রাসায় তা-ই শিক্ষা দিচ্ছে। ফলে তাদের মধ্যে শত মতভেদের পৈতা প্যাঁচে পড়ে শুরু হয় গোড়ামী, ফতোয়াবাজী, শেষে মারামারি, খুনাখুনি, ইহাই হলো ফেরকাবাজির কুফল। এ সমস্ত ধিক্কারজনক জঘন্য কাজগুলোকে অন্ধরা বলছে ঈমানী দায়িত্ব, শরিয়াভিত্তিক হত্যা, ইসলামী (?) রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জেহাদ, তাদের যৌনদাসী হলে বিনা হিসাবে বেহেশতী, তা না হলে জাহাचমী দেশী ক্ষুধা পেলে স্বামী তার স্ত্রীর শরীরের যে কোনো অঙ্গ কেটে গোশত খেতে পারবে ইত্যাদি। মূল কারণ, এরা আলমে মাহুতের ভয়ংকর জঙ্গল হতে বের হতে পারেনি।  


ভাই হারওয়ান রা আক্রান্ত হয়ে আছে বিধায় পশুর আচরণ তাদের অনুদের মাধ্যমে প্রকাশ: পাচ্ছে। সিরাতে সুরতে এক হলে আচরণে মানুষ পরিচয়, শুধু সুরতে নয়- এটা বুঝে রাখা সরকার। ধর্ম জ্ঞান আত্মার জ্ঞান, বেলায়েতি জ্ঞান, গায়েবী ইলেম, আত্মার জ্ঞানে যারা জ্ঞানী তারাই হলো আধ্যাত্মিক জ্ঞানী তথা ধর্ম জ্ঞানী। আত্মার জ্ঞান জগত হতেই ধর্ম কিতাবের আগমন-যা রূপকের আবরণে আছে । এই জন্য আধ্যাত্মিক জ্ঞান শূন্য মানুষ কিতাবের কালামের ভেদ বুঝবে না তথা কোরানের মুহাকামাত বুঝবে না। অন্ধ মূর্খরা জ্ঞানীগণকে হত্যা করার পরিকল্পনা করছে এবং হত্যা করছে, যদিও এই ক্রিয়া কর্ম এরা যুগ যুগান্তর ধরেই চালিয়ে আসছে। বর্তমানে যারা জ্ঞানীগণকে তথা অলি আউলিয়াগণকে তথা আল্লাহর ফকিরগণকে হত্যা করছে তারাইতো পূর্ববর্তী নবী-রাহুল এবং তাদের বংশধরগণকে এবং অলি আউলিয়াগণকে হত্যা করেছিল। তখনো এই অন্ধ নাদানেরা তাদেরকে কৃষ্ণরী, শেরেকি, বেদাতী বা ধর্ম বিকৃতকারী বা পথভ্রষ্ট ইত্যাদি ফতোয়ার তকমাটি লাগিয়ে প্রচার করে হত্যা নির্যাতন চালিয়েছিল, এখনো তাই করছে। তখনো এই অন্ধরা নিজেদেরকে জ্ঞানী মনে করেছিল, এখনো তাই ভাবছে। সাড়ে পনের আনা লোকই (মানুষ নয়) তাদের চিনতে পারছে না। জ্ঞানীগণকে হত্যা করলে শেষে অজ্ঞানী অন্ধ মূর্খরা থেকে যায়, যারা কোরানের রূপক বা মুতাশাবেহাতকেই ধর্ম জ্ঞান বুঝাচ্ছে এবং মানুষকে অন্ধকারের ঘূর্ণিপাকে নিক্ষেপ করে মানব মুক্তির পথ হতে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। শেষে ধর্ম রাজ্য অন্ধ মূর্খদের হাতে যাবে- চলবে দজ্জালের রাজত্ব আর পশুত্বের আচরণ। হবে ধর্ম শূন্য, থাকবে শুধু ধর্মের খোলসটি। এই খোলসটি আসল বলে চালানোর ব্যর্থ প্রয়াসই হলো দাঁড়ি, টুপি, জুব্বা, পাগড়ী ইত্যাদির বাহারি সাঁজের সমাহার। এটা বাস্তবায়নের জন্যই তাদের এই বিকৃত প্রচেষ্টা। ইলেন উঠিয়ে নেয়া হবে মানে জ্ঞানীকে উঠিয়ে নেয়া হবে ইহা কেয়ামতের লক্ষণ। তখন মূর্খ নাদানরা ধর্মের ছদ্মাবরণে পশুত্বের আচরণে আবৃত হয়ে মারামারি কাটাকাটি করে নিজেরাই ধ্বংশ হয়ে যাবে। কারণ, তাদের মধ্যে অন্ধত্বের ফসল শত মতভেদের কুফল ছড়িয়ে আছে। কাজেই জ্ঞানীদেরকে হত্যা করা মূলতঃ নিজেদেরই ধ্বংশ ডেকে আনা। ঈসার আগমণে হবে তাদের পতন। ইসলাম এবং কোরান দেড়শত কোটি মুসলমানের জন্য নয়, ইহা বিশ্বের সমস্ত মানুষের জন্য এবং সমস্ত মানুষের অস্তিত্বের মূল, যা আল্লাহর ফেত্ৰাত বলে কোৱানে বিধৃত। কোরানের মুহকামাত বুঝলে ইহা জানা যায়। অধিকাংশই সেই ফেত্রাত হারিয়ে আলমে নাছুতে বাস করছে এবং হায়ওয়ানাতে আক্রান্ত হয়ে পশুত্বের আচরণ প্রকাশ করছে। তাতে মানব সমাজ ধ্বংশের সম্মুখীন হয়ে পড়ছে, লোক সংখ্যা বাড়ছে কিন্তু কমছে মানুষের সংখ্যা।

মানব সমাজের মধ্যে যারা জ্ঞানী তারা মানব কল্যানে অনেক জ্ঞানগর্ভ বাণী, সাহিত্য, কবিতা, দেওয়ান, রুবাইয়াত, গান ইত্যাদি রেখেছেন। যদিও অন্ধ-বধির বা মূর্খদের দ্বারা জ্ঞানীগণ আক্রান্ত হচ্ছে যুগে যুগে, ইতিহাস তার সাক্ষী। সুরা ফাতেহা তৎসঙ্গে দশ বারোটি আয়াত সরল ভাষায় দেওয়ান আকারে লিখে রেখে গেলাম। যদিও এ লেখাটি ২০০৩ ইং সনের জুনের প্রথম সপ্তাহের দিকে শুরু করেছিলাম। এর মধ্যে আরো ৩/৪ টি বই প্রকাশ করতে হয়েছে বিধায় এ লেখাটি এতো সময় পেরিয়ে গেছে। তবে মাঝে মাঝে এই দেওয়ানটিও লেখা হতো। এ লেখাটির মধ্যে কোরানের ১২টি আয়াতের সামান্য মর্মভেন তুলে ধরা হলো। আমার মুর্শিদ কেবলা, দু'জাহানের বাদশাহ, কালবী নূরী খাজা দেওয়ান শাহ রজ্জব আলী চিশতী নিজামী (রাহঃ)- এর কৃপাগুণে সামান্য ইলেম অর্জন করা সম্ভব হয়েছে এবং তারই আলোকে এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আশা করি পাঠক সমাজ উপকৃত হবেন এবং অন্ধকারের ভিতর হতে সামান্য

আলোর দিকে বের হয়ে আসতে পারবে।

কাজী বেনজীর হক চিশতী নিজামী


Contact Us:
Inside Dhaka:
2-3 working days
Outside Dhaka:
3-5 working days
Cash on Delivery :
Available
Refund Rules:
Within 7 DaysView Policy
Payment: