প্রাক-কথনপ্রেমময়তাই খোদাময়তাতুমিই প্রেম, ভূমিই প্রেমিক, তুমিই প্রেমাস্পদ মহাজগতের সবই অর্থহীন বিনে তোমার পদপ্রেম- আবহমান কাল থেকে সর্বাধিক চর্চিত, পঠিত ও ব্যবহৃত এই শব্দটির বাহুডোরে বাধা আমরা সবাই । এই শব্দটির মতো অন্য কোন শব্দ নিয়ে এত গল্প-কবিতা-উপন্যাস রচিত হয়নি। প্রেমের টান ঐশী। প্রেমের আহ্বানে যে ত্যাগ-তিতিক্ষার ইতিহাস রচিত হয়েছে তার শতভাগের একভাগও অন্য কোন বিষয়ে নেই। প্রেমের টানেই মানুষ অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করেছে। ত্যাগ করেছে নিজেদের সর্বস্ব। বিলিয়েছে জীবন । প্রেমের ত্যাগের সাথে তাই কোন কিছুর তুলনাই চলে না ।মা-বাবা ও সন্তানের ভালবাসা, ভাই বোনের মমতা, স্বামী-স্ত্রীর ভালবাসা, নিজ জাতির প্রগাঢ়তা, মানবপ্রীতি, দেশপ্রেম- এমন অসংখ্য মমত্বের উদাহরণ ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের পরতে পরতে। শুধু মানুষ নয়, জীবজন্তুর মাঝেও প্রেম। ওদের নিজেদের প্রতি কিংবা মানুষের প্রতি বহু হার্দিকতার নজির দেখা যায়।মানবজাতির স্রষ্টাই সকল সৃষ্টির একমাত্র সৃষ্টিকর্তা । তাই তিনি যে ভালবাসার টান মানুষের মধ্যে দিয়েছেন, সেই ভালবাসার কমবেশি বন্টন প্রাণীজগতেও করেছেন। সে মহামহিম আসলে প্রেমের মূল কারিগর । তিনিই প্রেমের স্রষ্টা । কেবল এই প্রেমের জন্যই তিনি তৃষিত ।প্রেমানুগত্যহীন ইবাদত মূল্যহীনপ্রেমানুগত্য ছাড়া তাঁর কাছে সবই মূল্যহীন। অর্থহীন।প্রেমহীন ইবলিশের ছয় লক্ষ বছরের নিরবচ্ছিন্ন ইবাদত ছিল। তাঁর কাছে সেই ইবাদতের এক কানাকড়ি মূল্যও নেই। অন্যদিকে তিনি রাব্বুল আলামিন ইহ- পরকালের সবকিছু বিলিয়ে দিতে পারেন তাঁর প্রেমিকদের মাত্র একটি দীর্ঘশ্বাসের বিনিময়ে। সেজন্য যুগে যুগে নবী-রাসূল, আহলুল বাইত, সাহাবী আজমাঈন সহ আল্লাহর সকল বন্ধু বা আউলিয়াগণ সারাজীবন খোদাপ্রেমেই অবগাহন করেছেন। মহান প্রভুর অসীম প্রেমের দরিয়ায় একে একে সবাই ডুব দিয়ে হয়েছেন আল্লাহর প্রিয় । নৈকট্যপ্রাপ্ত। তাঁদের প্রতিটি নিঃশ্বাস, ত্যাগ, ইবাদত ও কাজ সবকিছু ভরপুর আপ্রার অপার থেকে। আল্লাহর সাথে প্রেমের খেলা ছাড়া কেউ ঐশী নৈকট্যপ্রাপ্ত হতে পারেপারবেও না।
মানুষের মাঝে আছে দ্বিমুখী বিষয়। সীমিত স্বাধীনতা। আছে ভাল বা যা করার অধিকার। সভ্য বা মিথ্যার, ইতিবাচক বা নেতিবাচকের ক্ষমতা। কেন? মহান আ এটা দিয়েছেন কেবলমাত্র তাঁর নিঝুম আশিকের প্রেমের খেলা দেখার জন্য। এই স্বকীয়তা আান্য সৃষ্টি এমনকি পবিত্র ফেরেশতাদেরও সেননি। যে মানুষ নেতিবাচক বা মিথ্যার আহ্বানের পরেও মহান রবের প্রেমে মাতোয়ারা হয়ে সবকিছু ত্যাগ করে, লে হয়ে ওঠে শ্রেষ্ঠ মানুষ, শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।পবিত্র ফেরেশতাগণ কখনো মিথ্যার প্রতি আকর্ষণ বা আহ্বান কোনটাই পান না। তাঁদের ভিতর একমুখিতা। ইতিবাচক, সত্যতার ধারা বর্তমান। তাঁরা আল্লাহকে ভয় করেন প্রতি মুহুর্তে। মানেন। যদিও কোন পাপ তারা করেননা, তবু আল্লাহর সাথে সত্যিকার প্রেমের খেলা তাঁরা ফেলতে পারেননা। কারণ তাঁদের মাঝে প্রেমের স্বাধীনতা নেই। ভাই প্রেমরাজ্যের রাজা হযরত মীকাল " বলেন,প্রেমের জন্য সৃজেছ মানব, নতুবাইবাদতের জন্য ফেরেশতাদের অভাব ছিলনাআর ভাইভো মানুষ যখন বেহেস্তের লোভ ও দোযখের ভয় ভুলে গিয়ে শুধুমাত্র প্রেমের কারণে আল্লাহর জন্য অঝোর নয়নে কাঁদে, ঐসব ফেরেশতাদের মাঝেও বিস্ময়-আলোড়ন সৃষ্টি হয় ।'জৰে প্ৰেম শুধু মুখে বললেই হয়না।প্রেমের পাখে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরুতে হয়, অনেক অসাধ্য-সাধন করতে হয় । দুনিয়াবি মারা প্রেমেই যেখানে থাকে পরীক্ষার পর পরীক্ষা, সেখানে অবিনশ্বর জাপ-পুফের প্রেমে ভারচেয়েও কত সহস্রগুণ পরীক্ষা দিতে হয়, বিপদসঙ্কুল ভয়ংকর শান্তা অতিক্রম করতে হয়, তা বলাই বাহুল্য ।হুপ্রায় অমর হলেন নবী-রাসূলগণভাইতো প্রেমিকগণের মৃত্যু নেই, প্রেমেরও মৃত্যু নেই। মহান মাতবের ছোঁয়ায় সেই ঐশী প্রেমিকরণ হয়ে ওঠেন অবিনশ্বর। সাগরের প্রতিটি ঢেউ আসে অকল্পনীয় শক্তি নিয়ে । মহান রবের তরফ হতে প্রেমিকগণের হৃদয়ে প্রেমের চেউও আসে একইভাবে, অসীম শক্তি নিয়ে। জাশিকগণের কাছে কোন কিছুই আর অসাধ্য মনে হয়না। অসাধ্য থাকে না। মহান প্রেমিকদের মাঝে শ্রেষ্ঠ হচ্ছেন নবী-রাসূANDনবী - বর্ণীতে আমরা প্রেমের জন্য বহু ত্যাগ দেখি। হরত ইব্রাহিমআকারে হবে তা শেষ করসে প্রাপ্ত প্রাণাধিক ছেলেকে কুরবানি নিতে একটুও of a ी -কে বিজন প্রাপ্তরে কোন এসেছিলেন।oতাইতো আমার ঈকে আপন বনি বিসাবে ঘোষণা দিছেন।আঠারো বছর পাটনা1230পরে আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেন ।অপরিসীম on থাকা কেনকরতে